নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা:
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির মতো ঘটনা কাম্য নয় বলে জানান রাজ্যর উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাঁর কথায়, প্ররোচনা, পালটা প্ররোচনা আর তার প্রতিক্রিয়ায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিন্দনীয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য পড়ুয়া, শিক্ষক, গবেষক আর যাদবপুরের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের কাছে আবেদন জানান উচ্চশিক্ষামন্ত্রী। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘যাদবপুর শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, ভারতের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও উৎকর্ষর অন্যতম পীঠস্থান। উচ্চশিক্ষা দফতর চায়,...
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা:
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির মতো ঘটনা কাম্য নয় বলে জানান রাজ্যর উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাঁর কথায়, প্ররোচনা, পালটা প্ররোচনা আর তার প্রতিক্রিয়ায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিন্দনীয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য পড়ুয়া, শিক্ষক, গবেষক আর যাদবপুরের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের কাছে আবেদন জানান উচ্চশিক্ষামন্ত্রী। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘যাদবপুর শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয় নয়, ভারতের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও উৎকর্ষর অন্যতম পীঠস্থান। উচ্চশিক্ষা দফতর চায়, যাদবপুর তার অতীতের সুনাম বজায় রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সেই সুনামকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা আর উৎকর্ষই যেন যাদবপুরের পরিচয় হয়ে ওঠে।’ এবিষয়ে তাঁর কড়া বার্তা, ‘কোনো একটি প্ররোচনা, সেই প্ররোচনার প্রতিপ্ররোচনা, তার প্রতিক্রিয়া এইভাবে যা যা ঘটেছে, তার নিন্দা করছি। তা নিন্দনীয়।’ জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় আরো বলেন, ‘কোনো ঘটনা বা রাজনৈতিক সংঘাতের কারণে যেন যাদবপুরের নাম দেশ বা বিশ্বর সামনে নেতিবাচকভাবে না আসে। যাদবপুরের নাম ছড়াক তার শিক্ষা, গবেষণা ও উৎকর্ষর জন্য এটাই আমাদের প্রত্যাশা হওয়া উচিত।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, শিক্ষক, গবেষক আর অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের উদ্দেশে তাঁর আবেদন, ‘যাদবপুরকে যাদবপুর রাখতে হলে যাদবপুরের শান্তি বজায় রাখতে হবে।’ তাঁর মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা আর ঐতিহ্য রক্ষা করা শুধু কর্তৃপক্ষর দায়িত্ব নয়। যাঁরা নিজেদের যাদবপুরের অংশ বলে মনে করেন, তাঁদের প্রত্যেকেরই এই দায়িত্ব রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বৃহত্তর পরিকল্পনার সঙ্গেও যাদবপুরের ভবিষ্যৎকে যুক্ত করেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এবারের বাজেটে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলার যে ভাবনা রাজ্য সরকার দেখিয়েছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে যেতে হবে। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা দরকার। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ‘স্বাভাবিকতা ফিরুক।’ তাঁর কথায়, কোনো ‘উটকো ঝামেলা’ বা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের কারণে যাদবপুরের প্রকৃত পরিচয় যেন আড়ালে চলে না যায়, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে নিশ্চিত করতে হবে।